| 1. ভূমিকা (Background) |
| 1.1. নগর ঝুঁকি নিরূপণ কী () |
| 1.2. নগর ঝুঁকি নিরূপণের যৌক্তিকতা () |
| 1.3. নগর ঝুঁকি নিরূপণের সুফল () |
| 1.4. ঝুঁকি নিরূপণ প্রক্রয়িার পদক্ষপে () |
| 1.5. ঝুঁকি নিরূপণ কিভাবে করা হয়েছে (পদ্ধতি) () |
| 1.6. ইউআরএ-তে এফবএি এর সংযোজন প্রক্রিয়া (Integration of FbA to URA) |
| 2. এলাকা পরিচিতি (Area Profile) |
| 2.1. সিটি কর্পোরেশন/উপজেলা () |
| 2.2. ওয়ার্ড পরিচিতি () |
| 3. প্রধান দুর্যোগ সমূহ (Major Hazards) |
| 3.1. প্রধান দুর্যোগ সমূহ (Major Hazards) |
| 4. দুর্যোগের মৌসুমী দিনপঞ্জি (Hazard Calendar) |
| 4.1. দুর্যোগের মৌসুমী দিনপঞ্জি এর বর্ণনা () |
| 5. ওয়ার্ডের আপদ ও বিপদাপন্ন খাত/সেক্টর (Hazard and Vulnerable Sectors) |
| 5.1. ওয়ার্ডের আপদ ও বিপদাপন্ন খাত/সেক্টর এর বর্ণনা () |
| 6. ঝুঁকির ও সম্পদের চিত্র (Risk and Resource Map) |
| 6.1. ঝুঁকির ও সম্পদের চিত্র এর বর্ণনা () |
| 7. সেক্টর/খাত ভিত্তিক ঝুকি বিন্যাস (Sector wise Risks analysis and prioritization) |
| 8. আগাম কার্যক্রমসহ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা (Risk reduction action plan including Early Action plan) |
| 8.1. আগাম কার্যক্রমসহ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা এর বর্ণনা (Detail of Risk reduction action plan including Early Action plan) |
| 9. পরিশিষ্ট (Annex) |
• সিটি কর্পোরেশন / পৌরসভা যথাযথভাবে ঝুঁকি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে পাওে না। ঝুঁকি নিরূপণের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং ঝুঁকি নিরসনে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা।
• এর মাধ্যমে ঝুঁকি নিরসনের জন্য কোথায়, কোন ধরনের কার্যμম গ্রহণ করা প্রয়োজন তা জানা সম্ভব।
• নগর ঝুঁকি নিরূপণের মাধ্যমে নগর কর্তৃপক্ষ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থা ও নগরবাসী সকলেই দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুত করে তুলতে পারে।
• ঝুঁকি জানা থাকলে ঝুঁকি নিরসনে পদক্ষেপ নেয়া সহজ হয়।
• ঝুঁকি হ্রাস পদক্ষেপ গ্রহণ করে দুর্যোগে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমানো।
• এলাকা বাছাই সিটি কর্পোরেশন/ওয়ার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে এ বিষয়ে ঐকমত্য
• ওয়ার্ড পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন ও ঝুঁকি নিরূপণ প্রμিয়া পরিচালনার বিষয়ে ঐকমত্য।
• ঝুঁকি নিরূপণ প্রμিয়া পরিচালনার লক্ষ্যে সহায়ক দল গঠন করতে হবে এবং তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে
• নগরের আবাসিক স্থাপনা, লাইফ লাইন সার্ভিস, অতীতে সংঘটিত দুর্যোগের প্রাথমিক ও দ্বিতীয় পর্যায়ের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করতে হবে। বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য-উপাত্তও সংগ্রহ করতে হবে।
- পরিভ্রমণ (ট্রানজেক্ট ওয়াক)ঃ দলবেধে প্রতিটি এলাকায় পরিদর্শন ও ঝুঁকি নিরূপণ করা হয়
- এলাকার তথ্যের ভিত্তিতে ঝুঁকি ও সম্পদের মানচিত্র প্রণয়ন এবং এর ব্যাখ্যা তৈরি করা
- জনগণকে সংগঠিতকরণ, নির্দিষ্ট দলে আলোচনা (ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন)
- পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের বিপদাপন্নতা নিরূপণ ও চিত্রায়ন - ঝুঁকির বিবরণ তৈরি
- ঝুঁকি নিরসনের সর্বোত্তম অপশন চিহ্নিতকরণ
- ঝুঁকি নিরসন কার্যμম পরিকল্পনা (রিস্ক রিডাকশন অ্যাকশন প্লান) প্রস্তুত
- বিশেষজ্ঞ গ্রুপ কর্তৃক ঝুঁকি নিরসন কার্যμম পরিকল্পনা পুনঃযাচাই - প্রতিবেদন প্রস্তুত
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান, যার সূচনা হয় ১৮৬৩ সালের ২২ জুন “চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটি” নামে। প্রাথমিকভাবে মাত্র ৬ বর্গমাইল আয়তনের এই প্রতিষ্ঠান বর্তমানে ১৫৫.৫৪ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বিস্তৃত হয়ে ৪১টি ওয়ার্ডে পরিচালিত হচ্ছে। প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষের আবাসস্থল এই মহানগরীতে বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৫৪%। নগরীর অবকাঠামো উন্নয়নে রয়েছে ৪,৩৫৯টি সড়ক (দৈর্ঘ্য ১,৪৪৩.৫ কিমি), ৪৭২ কিমি নালা, ২৮১ কিমি ফুটপাত, ২২৭টি সেতু, ২০৫৭টি কালভার্ট ও ৪২৬টি পাকা ড্রেন। শিক্ষাখাতে রয়েছে ৮৮৮টি প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে ২৩টি কলেজ, ৪৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৭টি কিণ্ডারগার্টেন, ৪টি কম্পিউটার ইনস্টিটিউট ও ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে ৮টি জামে মসজিদ, ২টি এবাদতখানা, ২টি কবরস্থান ও ২টি মহাশ্মশান। স্বাস্থ্যখাতে সেবা দিতে পরিচালিত হচ্ছে ৪টি মা ও শিশু হাসপাতাল, ১টি জেনারেল হাসপাতাল, ৫০টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ১১টি হোমিওপ্যাথিক ক্লিনিক, ১টি ইনফ্লুয়েঞ্জা ইনস্টিটিউট ও ১টি আধুনিক পরীক্ষাগার। মোট ১,৯৮১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, ৭টি বিভাগ ও ৩টি অ্যাসেসর ক্লাসের সমন্বয়ে পরিচালিত এই সিটি কর্পোরেশন দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের নগরজীবন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের আয়তন ৩.১৬ বর্গকিলোমিটার এবং মোট জনসংখ্যা ৫,১৫,৬৪১ জন, যার মধ্যে পুরুষ ২,৬২,৭৭৬ জন, মহিলা ২,৫২,৮৬৪ জন এবং হিজড়া নেই। এখানে প্রায় ৩০০ জন অভিবাসী বসবাস করেন। অধিকাংশ মানুষের পেশা দিনমজুরি ও শ্রমিকভিত্তিক, এবং পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীরাও মূলত দিনমজুর ও গার্মেন্টস শ্রমিক। গড় মাসিক আয় প্রায় ১৫,০০০ টাকা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ২টি মাদ্রাসা, ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এছাড়াও রয়েছে ১১টি ব্যাংক।
ওয়ার্ডটি পাহাড়ধস ও অতিবৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। অতীতে আমিন কলোনী ও টাংকির পাহাড়ে পাহাড়ধসের ঘটনায় ২০১৪ সালে ১ জন ও ২০১৫ সালে ৩ জন নিহত হন। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় নিয়মিত মাইকিং, আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রচার করা হয়। সিটি কর্পোরেশন উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা লোকদের রান্না করা খাবার সরবরাহ ও আর্থিক অনুদান প্রদান করে, জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন এনজিও সংস্থা সহায়তা প্রদান করে।
ওয়ার্ডে ২টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে—আলহেরা মাদ্রাসা ও রৌফাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা থাকলেও নিরাপত্তা, টয়লেট ও খাবার পানির ঘাটতি রয়েছে এবং নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা সীমিত। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও নগর স্বেচ্ছাসেবক টিম সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। মহিলা কাউন্সিলর জেসমিন পারভীন জেসী (মোবাইল: ০১৮১১-৩৯৪২৮১)।
পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মোট পরিবার ও জনসংখ্যার তথ্য রয়েছে, তবে তালিকা নেই। কৃষিজমি নেই, এবং পাহাড়ি এলাকায় বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য সেবার ঘাটতি রয়েছে। আবহাওয়ার বা দুর্যোগ সম্পর্কিত বার্তা জেলা প্রশাসন, ওয়ার্ড অফিস ও স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে প্রচার করা হয়।
এই ওয়ার্ডে CDC, DSK ও YPSA সংস্থা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ওয়ার্ড-০৭, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার ট্রানসেক্ট ওয়াক কার্যক্রমে বৌদ্ধাবাদ কলোনি, নবীন নগর, আমিন কলোনি, সুরিয়া মাস্টার রোড, শান্তিনগর, আলীনগরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মহল্লা ও এলাকা ঘুরে সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরিদর্শনের রুটে রেলপথ, পাহাড়ি ঢাল, খালপাড়, অভ্যন্তরীণ গলি ও বস্তি এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এলাকাগুলোর ভৌগোলিক গঠন, অবকাঠামোর অবস্থা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, ঝুঁকি ও সুযোগসমূহ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় বাস্তবতা অনুধাবনের চেষ্টা করা হয়েছে।
এই ওয়ার্ডে প্রধানত নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর বসবাস। বসতঘরের ধরন অনুযায়ী কাঁচা, টিনের ও আধাপাকা ঘরের আধিক্য লক্ষ করা গেছে, যদিও কিছু পাকা স্থাপনাও রয়েছে। বেশিরভাগ ঘর ঘনবসতিপূর্ণ এবং পাহাড়ের ঢালে বা খালের ধারে নির্মিত। পরিবারের আকার তুলনামূলকভাবে বড়, এবং একাধিক পরিবার মিলে একটি বাড়িতে বসবাস করার চিত্রও পরিলক্ষিত হয়েছে। জীবিকার উৎস হিসেবে দিনমজুরি, রিকশা চালনা, ছোট ব্যবসা, দর্জি ও গার্মেন্টস শ্রমিকের কাজ প্রধান। নারীদের অনেকে বাসাবাড়িতে গৃহকর্মে নিয়োজিত। অধিকাংশ পরিবারে আয়ের স্থায়িত্ব নেই এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকি রয়েছে।
অবকাঠামোগতভাবে এলাকাটি অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে। প্রধান সড়কগুলো আংশিকভাবে পাকা হলেও অভ্যন্তরীণ গলিগুলো সরু, ভাঙাচোরা ও অনেক ক্ষেত্রে কাঁচা। বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা দেখা যায় এবং চলাচলে সমস্যা হয়। অনেক এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স কিংবা অগ্নিনির্বাপক গাড়ি প্রবেশের উপযুক্ত রাস্তা নেই। বিদ্যুৎ সরবরাহে খোলা তার, পুরনো খুঁটি ও অপরিকল্পিত সংযোগ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা তৈরি করেছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থাও দুর্বল—নালা ও খালগুলো প্রায়ই ময়লা, প্লাস্টিক ও বর্জ্যে আটকে থাকে। অধিকাংশ এলাকায় ময়লা ফেলার জন্য নির্ধারিত স্থান নেই এবং খোলা স্থানে আবর্জনা ফেলাই স্বাভাবিক চর্চা। উন্মুক্ত স্থান অত্যন্ত সীমিত, কেবল কিছু বিদ্যালয়ের মাঠ শিশুদের খেলার একমাত্র সুযোগ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এলাকায় একাধিক বিদ্যালয় ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকলেও সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের অভাব রয়েছে এবং মানুষ প্রাইভেট ক্লিনিক বা ফার্মেসির উপর নির্ভরশীল। এই ওয়ার্ডের প্রধান ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে পাহাড়ধস, জলাবদ্ধতা, অগ্নিকাণ্ড, খোলা বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ এবং অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। অনেক ঘরই পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণভাবে নির্মিত হয়েছে, যা বর্ষাকালে জীবনের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। ড্রেন ও খালে বর্জ্য ফেলায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিও রয়েছে। এই বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এলাকায় ঝুঁকি হ্রাসের জন্য বেশ কিছু সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ি ঢালে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, ড্রেন ও খালসমূহ নিয়মিত পরিষ্কার ও সংস্কার, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপদ বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিতকরণ জরুরি। পাশাপাশি রাস্তা প্রশস্তকরণ, জরুরি যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা এবং কমিউনিটি সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। এলাকায় কিছু স্বেচ্ছাসেবী যুবসংগঠন সক্রিয় রয়েছে, যাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ঝুঁকি প্রশমনের জন্য কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।
এই বিবরণ ওয়ার্ড ০৭-এর বাস্তব অবস্থা অনুধাবনের একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে, যা ট্রানসেক্ট ওয়াক ও সরেজমিন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়েছে।
| Rank | Hazard |
| দুর্যোগ | Jan | Feb | Mar | Apr | May | Jun | Jul | Aug | Sep | Oct | Nov | Dec |
| দুর্যোগ | কৃষি/ফসল | প্রাণী সম্পদ | মৎস্য সম্পদ | স্বাস্থ্য | পানি পয়:নিষ্কাশন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা |
জেন্ডার ও অন্তর্ভূক্তিকরণ শিক্ষা |
অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থা |
অন্যান্য |
| সেক্টর/খাত | আপদ | সম্ভাব্য ঝুঁকি | ঝুঁকি ও বপিদাপন্নতার কারন সমূহ | অগ্রাধিকার (১-৩) |
| ঝুঁকি হ্রাসের কার্যকরী উপায়/ পদক্ষেপ | র্পুবাভাস ভত্তিকি আগাম র্কাযক্রম সময়কাল | সারাবছর / যেকোন উপযুক্ত সময় | কোথায় | কে/কোন ডির্পাটমেন্ট/সংস্থার দায়িত্ব | অভিষ্ট জনগোষ্ঠী (সংখ্যা) | সম্ভাব্য বাজেট (টাকা) | প্রয়োজনীয় সহযোগীতা | বিবেচ্য বিষয় |
| ক্রমিক নং | ঝুঁকি নিরসনের উপায় (Scheme) সমূহ | জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনা: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি কি আমলে নেয়া হয়েছে? | এই পদক্ষেপ কি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে? | প্রস্তাবিত ঝুঁকি হ্রাসের পদক্ষেপ কি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে বিপদাপন্ন? | জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাওয়ানো: প্রস্তাবিত পদক্ষেপ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে কিনা? |
| নং | বিবরণ | ওয়ার্ড নং |
| নং | বিষয়বস্তু (বাংলা) | Content (Eng) | বিবরণ (Description) |
| নং | List of options as proposed in the RRAP | GIS Expert | WASA/BWDB | Gas | Electricity | Climate Expert | Inclusion Expert |
| সেক্টর/খাত | আপদ | ঝুঁকি | ঝুঁকি ও বপিদাপন্নতার কারন সমূহ | অগ্রাধিকার (১-৩) |
| ঝুঁকি হ্রাসের কার্যকরী উপায়/ পদক্ষেপ | র্পুবাভাস ভত্তিকি আগাম র্কাযক্রম সময়কাল | সারাবছর / যেকোন উপযুক্ত সময় | কোথায় | কে/কোন ডির্পাটমেন্ট/সংস্থার দায়িত্ব | অভিষ্ট জনগোষ্ঠী (সংখ্যা) | সম্ভাব্য বাজেট (টাকা) | প্রয়োজনীয় সহযোগীতা | বিবেচ্য বিষয় |
| সেক্টর/খাত | আপদ | ঝুঁকি | ঝুঁকি ও বপিদাপন্নতার কারন সমূহ | অগ্রাধিকার (১-৩) |
| ঝুঁকি হ্রাসের কার্যকরী উপায়/ পদক্ষেপ | র্পুবাভাস ভত্তিকি আগাম র্কাযক্রম সময়কাল | সারাবছর / যেকোন উপযুক্ত সময় | কোথায় | কে/কোন ডির্পাটমেন্ট/সংস্থার দায়িত্ব | অভিষ্ট জনগোষ্ঠী (সংখ্যা) | সম্ভাব্য বাজেট (টাকা) | প্রয়োজনীয় সহযোগীতা | বিবেচ্য বিষয় |